Wednesday, August 21, 2013

পাংখা

গতকাল (২০/০৮/১৩) ছিল Pantera'র সাবেক গিটারিস্ট Dimebag Darrell এর জন্মদিন। সেই কারণেই এই লেখা। :)

তিনি জন্মগ্রহন করেন in  ১৯৬৬ সালে  এবং ২০০৪ সালে  মৃত্যু । 

Dimebag Darrell এর মৃত্যু কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে হয়নি।তিনি আততায়ীর হাতে খুন হন। সেই আততায়ী আর কেউ না, তার একজন Fan (পাংখা)। 



পাংখা কিন্তু অনেক ধরনের হয়। সব পাংখার বেল নাই। ডাই হার্ড পাংখা না হইতে পারলে লাভ নাই। ডাই হার্ড পাংখা বাতাস দেয় বেশি। এত বেশি বাতাস, যে নিজের জীবন পর্যন্ত বাতাস হয়ে যায়। যার পাংখা তারে ছাড়া কিছু হয় না। 

যাই হোক, বাইক্কা প্যাঁচাল বাদ দিয়া কাজে কথা বলি।
অনেক চিন্তা করে দেখলাম, কোন মানুষের ডাই হার্ড ফ্যান বা কোন মেয়ের জন্য "তোমার জন্য মরতে পারি" টাইপ পাবলিক হওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। 

X এর গান আমার ভালো লাগে। আমি তার ফ্যান। এখন কথা হইল, তার কিছু হইলে আমি যদি মইরা যাই তাহলে তার গান শুনবে কে ?
মানুসজন এত আ**ল ক্যান আমি বুঝি না। 
গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ব্রেক আপ কইরা কথাবার্তা ছাড়া সুইসাইড । কি আজব !
মইরা গিয়া লাভ টা কি হইল ?
তোর 
গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড তো ঠিকই মৌজে আছে। হুদাই জীবন দিলি ক্যান ?
- ওরে না পাওয়ার কষ্ট সহ্য হয় না

শোন রে আ**ল .. কষ্ট সহ্য না হইলে এমন কিছু কর যাতে ওরে পাওয়া যায়। মইরা গেলে কি পাবি ? 
বরং যারে ভালবাসস তারে মাইরালা :D যে নাই তারে পাওয়ার জন্য কোন ঝামেলা ও নাই :D  

I would better be a warrior than be a die hard fan :D
   
*** Dimebag Darrell এর  খুনির নাম Nathan Gale. আমার মতে সে একজন উৎকৃষ্ট ফ্যান।Dimebag Pantera ছেড়ে দেওয়ার পর 'Damageplan' নামে ১টা ব্যান্ড করে।  Pantera ভেঙ্গে যাওয়ার কষ্ট Nathan সহ্য করতে পারে নাই । তাই 'Damageplan' এর কনসার্ট এ গুলি করে মারে Dimebag কে 


Wednesday, July 3, 2013

বৃক্ষ

ঘন একটা জঙ্গল । বনের মতো । জঙ্গলের মাঝের দিকে বিশাল কিছু গাছের ফাঁক ফোঁকরে সবার অজান্তে বেড়ে উঠছে ছোট্ট একটা চারা গাছ । আশে পাশের পর্বত সম বিশাল গাছের কারণে সূর্যের আলো যার কাছে নিয়মিত পৌঁছায় না । সূর্যের আলো চারা গাছের প্রধান খাদ্য । খাদ্যের অভাবে চারা গাছ মৃত প্রায় । মৃত প্রায় চারা গাছ মনের দুঃখে মৃত্যুর প্রহর গুনছে । চারপাশের বৃক্ষরাজির সময় কোথায় তার দিকে ফিরে তাকানোর ? আশে পাশের বেপরোয়া বাড়তে থাকা বুনো ঘাসেরাও তাকে কটাক্ষ করে । চারাগাছের মন খারাপ ।
মাঝে-মাঝে কিছু প্রজাপতি আসে । তার শাখায় বসে, আপন মনে নিজেরা নিজেরা খেলা করে, তারপর চলে যায় । দিনের যে সময়টা প্রজাপতির দল থাকে শুধু সেই সময়টাতে চারাগাছের মন ভালো থাকে ।
আজকের আবহাওয়া খুব খারাপ । সময়টা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না । ঘন অন্ধকারে চারাগাছের ভয় ভয় করছে । আশেপাশের সবাই  নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত । চারাগাছের মন খারাপ ।
হঠাৎ  করে ঝড় শুরু হল । প্রচণ্ড বাতাসে সব কিছু লণ্ডভণ্ড হওয়ার উপক্রম । তার মৃত্যু ক্ষণ সন্নিকটে । মাথা উঁচু করে সূর্যের রোদ গায়ে মাখা, চিৎকার করে সবাইকে তার অস্তিত্ব জানান দেওয়ার ইচ্ছা তার অপূর্ণই থেকে যাবে । নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিষ্ঠুর আচরণ । বেচারা চারাগাছের উপর প্রচুর ধকল গেল ।
ঝড় থেমে গেছে । সবকিছু চুপচাপ । একটা গভীর নিস্তব্ধতা জঙ্গলময় । হঠাৎ করে ছ্যাঁত করে উঠল চারাগাছের শরীর । অদ্ভুত একটা শিহরণ অনুভব করল সে । চোখ মেলে উপরে দেখল সে ।
আলো ! সূর্যের আলো ! সে কি স্বপ্ন দেখছে ?
না । স্বপ্ন না, বাস্তব । ঝড়ের তাণ্ডবে উড়ে যাওয়া পাতার ফাঁক থেকে ঐ তো উঁকি দিচ্ছে সূর্য । সূর্যের এক চিলতে আলো এসে পড়েছে তার পাতায় । আনন্দে ভরে ওঠে চারাগাছের মন । এত অল্প আলোতে তার প্রয়োজন হয়ত মিটবে না, হয়ত কিছুদিনের মধ্যে বড় গাছগুলোর নতুন পাতা গজাবে । তখন ? তখন কি হবে ? আবার সেই চিরচেনা অন্ধকার, মৃত্যুর অপেক্ষা ।
আচ্ছা, এমনও তো হতে পারে যে এই ঝড় থেকে শিক্ষা নিল বড় গাছগুলো, তারা চারাগাছের ঠিক মাথার উপর তাদের নিজেদের ডালে পাতা গজালো না ।
আবার এমনও তো হতে পারে- বড় কোন ঝড় আসলো, অহংকারি বড় গাছ সেই ঝড়ে মুখ থুবড়ে পড়লো , অথবা অন্তত সূর্যের আলো তার কাছে পৌঁছানোর পথে বাঁধা হয়ে থাকা গাছের সেই ডালগুলো ভেঙ্গে পড়লো । হতে পারে না ?
না হলে নেই । আবার ঝড় আসবে । আবার কিছু সময়ের জন্য সেই রোদ । আহ ! ভাবতেই আনন্দ হচ্ছে । না, আজ থেকে আর কোন হতাশা নয় । জীবনটা মুখ বুজে সব সহ্য করার জন্য নয়, নিজের অধিকার নিজেকে অর্জন করতে হবে । মৃত্যু ভয়ে আর কাবু হয়ে থাকবে না চারাগাছ । এখন শুধু বেঁচে থাকা অপেক্ষা নিয়ে নতুন দিনের । একটু একটু শক্তি সঞ্চয় করা আর বেড়ে ওঠা ।
আসবে । একদিন আসবে সেই দিন । অন্য সব বিশাল বৃক্ষের মতই সেই দিন আকাশ ছোঁবে আজকের চারাগাছ ।

Tuesday, June 4, 2013

অপ্রাপ্তি

ঘুম আসতেসে না। মাথার ভিতর আজেবাজে চিন্তা ভাবনা ঘুরাঘুরি করতেসে।
বিছানায় শুয়ে অনেকক্ষণ এপাশ ওপাশ করলাম, ঘুম আসে না। ভীষণ অশান্তি। অশান্তি আসে অপ্রাপ্তি থেকে। আমার ক্ষুদ্র জীবনে অপ্রাপ্তি খুবই কম। তাও দেখি অপ্রাপ্তির পরিমান কম না !

চিন্তা করলাম, লিখে রাখি। মনের দুঃখ কিছুটা হলেও কমবে। মনে মনে লেখার বিষয়বস্তু, লেখার ধরণ সব রেডি করে পিসি অন করলাম। হটাৎ মনে হল- কার জন্য লিখব, কিসের জন্য লিখব এইসব ?
কেন লিখব ?

আমার এই লেখা হয়ত কোন কালে কেউ পড়বে না। আর পড়লেও সবাই ভাববে এটা হতাশাগ্রস্ত এক পাগলা যুবকের দীর্ঘশ্বাস মেশানো পরাজয়ের কাহিনী। এই গল্প পড়ে আমার প্রতি কারো ভালবাসা বা সহানুভূতি জন্মাবে না, বড়োজোর যা হবে তা হচ্ছে করুণা। মানুষের করুনার পাত্র হয়ে বাঁচার চেয়ে লজ্জার কিছু নেই।

যাই হোক, সময় এখনো অনেক বাকি। অপ্রাপ্তিগুলো মেটানোর মতো যথেষ্ট সময় হয়ত পাওয়া যাবে। তবে সব অপ্রাপ্তি হয়ত মেটানো যাবে না। একটা টাইম মেশিন থাকলে অতীতে যাওয়ার চেষ্টা করতাম।

সব অপূর্ণতা খারাপ না। যেসব অপূর্ণতা নির্দোষ; তাদের পূর্ণতা দেওয়ার মানে হয় না।

Thursday, May 30, 2013

ভালবাসা - পার্ট ২

"সখী ভালবাসা কারে কয়?"

রবি বাবুর মতো লোক যেখানে ভালবাসার সংজ্ঞা জানে না, আমি কোন ছার ? তবু এই লেখার শেষে ভালবাসা সম্পর্কে আমার আবিষ্কৃত একটা সংজ্ঞা দিবো।

এই লেখাটা একটা আবাল মার্কা লেখা। কি লিখব কে জানে !

#১
আমার এক ফ্রেন্ড, ধরি এক্স। বিকালে বাসায় আসলো। পিসি তে বইসা কাজ করতেসে, করতেসে। আচমকা Unknown নাম্বার থেকে কল আসলো অর ফোনে। ফোন পিক কইরা হ্যালো, স্লামালিকুম বলসে মাত্র............ দেখলাম ওর চোখমুখ অন্ধকার হইয়া গেল :(
-কি হইসে?
- ওআই এর বাপ কল দিসে :(      (ওআই ওর GF)
- ক্যান ?
-কালকা বাসায় ধরা খাইসে আমার সাথে কথা বলতে গিয়া, ওর বাপে ফোন রাইখা দিসে :(
- ও

কিছুক্ষন পর......   আমারে জিজ্ঞাস করতেসে...।

-দোস্ত সিগারেট খাইলে Frustration কমে? 
-হুম ম ম  ম......... না, কমে না।
- মাল খাইলে? (মদ)
-নাহ
- দোস্ত, মনটা খুব খারাপ, কালকে রাতে ঘুমাইতে পারি নাই। 
- হম (চাপা দীর্ঘশ্বাস)

#২ (#১ এর ই কাহিনী )

এক্স নিজ থেকেই বলতেসে
- ওরে কইলাম যে তোমার ফেসবুক আইডি টা তোমার বান্ধবীরে ইউস করতে দিওনা। প্রব্লেম হবে।
কোন কথাই শুনলনা। 
-ওর আইডি অন্য মাইয়া ইউস করে এইডা কেমুন কথা?
-আর কইস না :/ ওই মাইয়া ওর আইডি ইউস করে, ওই আইডি তে পোলাপান মেসেজ দেয়, ওর নাম্বার পর্যন্ত পোলাপানের কাছে আছে :( কে যেন খালি এসএমএস, মিস কল দেয়।
-বাহ ভালো তো। পোলারা মাইয়ার নাম্বার খুইজা পায় না , আর তোমার বাল(!)বাসার নাম্বার সবার কাছে।
ভালো, ভালো
- ওরে কত কইরা বুঝাইলাম যে তোমার আইডি তোমার বান্ধবী ইউস করলে অন্য কেউ তো আর বুঝবে না। ও কয় ওর বান্ধবী থেকে আইডি ফেরত নিতে পারবে না। ওর নাকি লজ্জা করে ফেরত চাইতে 

মোদ্দা কথা মাইয়ার আইডি ওর বান্ধবী ইউস করে। কিন্তু মাইয়া এইটা বুঝতে বা মানতে চায় না যে একজনের আইডি অন্য কেউ ইউস করলে প্রব্লেম হইতে পারে।
ওহ, ভালো কথা মাইয়ার আইডি যে ইউস করে সে ওই আইডি দিয়া এক পোলার সাথে রেগুলার চ্যাট করে। (পোলা তো ভাবে এইটা ওআই, মাগার ডাল মে কুচ কালা হ্যাঁয় চান্দু)


এইবার, সুধী ... এইবার আমার প্রশ্ন #১ আর #২ এর মধ্যে ভালবাসা কোনটা ?

মাইয়া তো বুঝতেই চাইলো না। না বুইঝা আবালের মতো কাজ করতে গিয়া বাপের কাছে ধরা খাইল। প্রেমিক বেচারার তো ঘুম হারাম। এই ভালবাসা? ভালবাসার মানুষের চেয়ে বন্ধু বড় ?

পোলা... তোমার ও দোষ কম না। যে তোমার ভালবাসার দাম গত ৪ বছরে একবারও দিল না, তার জন্য আর কত ???

জাউগগা...এইবার নিজের কথা বলি। 
আমার মতে ভালবাসা হইল ৬০% বিশ্বাস,২০% Understanding আর ২০% সন্মান।
তবে ২ পক্ষেই এগুলা সমান হওয়া বাঞ্ছনিয়।


ভালবাসা বড় আজব। আমার সাথে মেলে না :/  

ওহহো, ভালো কথা আমার বন্ধুর ফোনে যে Unknown নাম্বার থেকে ফোন আসছিল সেটা আমাদের এক ফ্রেন্ড এর :D . ফ্রেন্ড তো হেব্বি খুশি, ওর জন্য ওর জিএফ আজকে বাসায় বকা খাবে না। আনন্দে আমারে ১ খান সিগারেট খাওাইলো।

Monday, May 20, 2013

ভালবাসা



"ভালবাসা কারে কয়?
সেকি বাঁধা পড়ে রয়?
সেকি শুধু শেষ তুমি আমিতে?


ভালবাসা তারে কয়
যে নিজে পড়ে রয়
বাঁধা পড়ে বাধাহীন বাঁধনে"

ভালবাসা আমার কাছে আসলেই বোধগম্য না। ভালবাসা কি চায়, আমি কি চাই, অন্যরা কি চায় কিছুই বুঝি না। ভালবাসা এক গোলকধাঁধা আমার কাছে। যাই হোক অফ টপিক ছাইরা কাজের কথায় আসি . . . 


"জীবন থেকে ২২ টা বছর পার হয়ে গেল, এখনও কোন মেয়ে আমাকে পটাইতে পারল না"
এরকম একটা স্ট্যাটাস ফেসবুকে দিছিলাম একবার। নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারলেও মনে হয় আরও ভালো হইত।
স্ট্যাটাস দেওয়ার এক মাস পর্যন্ত বন্ধুদের ব্যাঙ্গাত্তক আর টিটকারি মার্কা কথা শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হইছে। বাল। কোন দুঃখে যে স্ট্যাটাস টা দিছিলাম :(

"প্রেম করস ? " যারা আমাকে খুব একটা জানে না তাদের প্রশ্ন।
"প্রেম করস না ক্যান? " যারা আমাকে মোটামুটি জানে তাদের প্রশ্ন।
"কখনও কি প্রেম করতে ইচ্ছা করে না ?" যারা আমাকে ভালো জানে তাদের প্রশ্ন।

১ম টাইপের জন্য আমার রেডি উত্তর- "চেষ্টায় আছি"
২য় টাইপের জন্য- "শিওর না। দেখি কি করা যায়। একটা সুন্দর দেইখা মাইয়া জোগাড় কইরা দে।"
৩য় টাইপ পাবলিক জানে যে আমার দ্বারা আর যাই হোক প্রেম হইব না, তাও ক্যান যে প্যাচর প্যাচর করে খোদা মালুম।

প্রেম করতে যে একেবারে ইচ্ছা করে না তা না। কিন্তু অনেকগুলা কিন্তু আছে।
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় কিন্তু বলে কিছু নাই। সবগুলাই 'কিন্তু' আর সবগুলাই ইম্পরট্যান্ট।
একটা 'কিন্তু' হইল আমি একটু অন্যরকম। রিকশায় করে মেয়ে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো, ফোন করে ভাত খাইছ? কি দিয়া খাইছ? ক্যান খাও নাই ? এই টাইপ পুতু পুতু কাজ কর্ম করতে পারি না।  আরে বাপ ক্ষুদা লাগে নাই, খায় নাই ব্যাস। এত বিষ ক্যান?

এরপর, প্রেম করা মানে কি ? মাইয়ারে নিয়া সপ্তাহে কমে ১ দিন রেস্টুরেন্ট এ যাওয়া অতি আবশ্যকীয় । রিকশা, ট্যাক্সি ভাড়া, ফোনের বিল সব তোমারেই দেওন লাগব। এখন বলেন এইগুলা কি আমার দ্বারা সম্ভব ? টাকার অভাবে ঠিকমতো জরুরি কাজ করতে পারি না, আবার প্রেম !

আরও আছে, ফোনে ওয়েটিং পাইলে তো জান শেষ। কি করতাছিলা, কার লগে কথা কও ? এত কথা কিসের ? আরও কত রকম আজব কথা ! আরে! আমার ফোন, আমি যার লগে ইচ্ছা কথা বলব, যতক্ষণ ইচ্ছা বলব। তর কি ? তর লগে যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলি তখন মনে থাকে না।

আরও আছে, ...
থাক আর বলতে ইচ্ছা করতেছে না, মনেও নাই সবগুলা। মনে পরলে আবার লিখব।
তবে , শেষ করার আগে একখান কথা। আমার এই লেখা পড়ে যাদের মনে হচ্ছে এইটা ছ্যাঁক খাইয়া পরটা হওয়া কোন দেবদাস এর রাগ বা দুঃখের কাহিনি তারা মুড়ি খান। আমি জীবনে এখন পর্যন্ত প্রেম করি নাই  (করব না, এরকম কিছু কিন্তু বলি নাই :P ) এইসব  অভিজ্ঞতা আমার বন্ধু মহল থেকে পাওয়া।        

নিজের হইলে না জানি কি হইতো !